Sunday , 15 September 2019
Home » Islamic » আপনার অজু সঠিক ভাবে হচ্ছে তো?দেখেনিন অজুর প্রকারভেদ ,অজুর মাকরুহ সমুহ এবং অজু ভঙ্গ হইবার কারন সমুহ

আপনার অজু সঠিক ভাবে হচ্ছে তো?দেখেনিন অজুর প্রকারভেদ ,অজুর মাকরুহ সমুহ এবং অজু ভঙ্গ হইবার কারন সমুহ

আসসালামু আলাইকুম

বন্ধুরা আজকে আমরা আলোচনা করতে চলেচি অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা বিষইয় নিয়ে,আমরা নামাজ পড়ার জন্য প্রত্যেকেই অজু করি,কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না,আসলে কী কী কারনে আমাদের অজু মাকরুহ হয় অথবা ভঙ্গ হয়,তাই আজকের পোস্টে আমরা আলোচনা করব সেইসব বিষয়ে যেসব কাওরনে আম্মাদের অজু মাকরুহ হয় এবং ভঙ্গ হয়,তবে এর আগে আমাদের জেনে নেওা দরকার অজু কয় প্রকার,চলু প্রথমেই আমরা জেনে নেই–

অজু কত প্রকার?-

আমরা সবাই অজু করি কিন্তু জানি না অজু কত প্রকার,তো জেনে নেই অজু ৩ প্রকার।

অজুর প্রকার গুলো হচ্ছে,

১)ফরজ অজু-যাহা আমরা নামাজ আদায়ের জন্য নামাজের আগে করে থাকী।

২)ওয়াজিব অজু-যাহা বায়তুল্লাহ শরিফ তাওাফ করার আগে করতে হয়।

৩)মুস্তাহাব অজু-যাহা শরীরকে সর্বদা পবিত্র রাখার জন্য করা হয়।

আমরা এতক্ষনে জানলাম অজু কত প্রকারের এবার জানব অজুর মাকরুহ সমূহ কী কী?

অজুর মাকরুহ সমুহঃ-

অজুর মাকরুহ মোট ৭ টি এই সাতটি কারনের যেকোন একটি হইলে পনার অজু মাকরুহ হয়ে যাবেঃ-

১)মুখের ভিতর জুরে পানি ছিটাইয়া দেওয়া।

২) ওজর ব্যতিত বাম হাত দ্বারা মূখে ও নাকের ভিতরে পানি দিয়ে ডান হাত দিয়ে পরিস্কার করা।

৩)অজুর সময় কথা বলা।

৪) অজুর অঙ্গ গুলো ৩ বারের বেশী অথবা কম ধোয়া।

৫)যে পাত্রের মঝে দৃস্টি যায় না সেই পাত্রে পানি বরিয়া অজু করা।

৬)অজুর পানির ভিতরে ইচ্ছা করিয়া ত্থুথু ফেলা।

৭)ওজর ব্যাতিত অন্যের সাহায্য লইয়া অজু করা।

এতক্ষনে আমরা অজুর প্রকারভেদ এবং অজুর মাকরুহ সম্পর্কে আমরা জেনেছি,তাছাড়া গত পর্বে আমরা অজুর ফরজ সুন্নত মুস্তাহাব সম্পর্কে জেনেছি,

এবার আমরা জানব অজু ভঙ্গ হওয়ার কারন কী কী বা কী কী কারনে আমাদের অজু ভঙ্গ হতে পারে–

অজু ভঙ্গ হইবার কারন সমুহঃ-

অজু ভঙ হইবার কারন ১০ টি।যথা-

১) প্রশ্রাব পায়কানার রাস্তা দিয়ে কোন কিছু বের হওয়া।

২)মূখ ভর্তি বমি করা।

৩) দেহের যেকোন স্থান হইতে রক্ত ,পূজ বা পানি বেরহয়ে গড়িয়ে পরা।

৪)নামাজের মধ্যে উচ্ছ আওয়াজে হাসা।

৫)নেশা জাতিয় কোন কিছু কেয়ে বেহুশ বা পগল হইলে।

৬)দাতের গোড়া কিংবা মূখের অন্য কোন স্থান হইতে রক্ত বের হইলে।

৭) স্ত্রী সহবাস করিলে(নারী পুরুষ উভয় এর)

৮)তায়ম্মুম কারী পানিপ্রাপ্ত হইয়া অজু করিতে সক্ষম হইলে।

৯নিদ্রামগ্ন হইলে।

১০)বেহুশ হইলে।

উপরোক্ত কারনের কোন একটা হইলেই আপনার অজু ভঙ্গ হুইয়া জাইবে,সুতরাং আপনাকে সব সময় খেয়াল রাখতে হইবে যে অজু অবস্থায় আপনার এর কোন একটা ঘটছে কী না,আর যদি আপনার খেয়াল না হয় কোন কিছু ঘটেছে নাকী ঘটেনি,সেক্ষেত্রে আপনাকে পুনরায় অজু করে নিতে হবে।

আজকের পোস্ট এখানেই শেষ করছি পরবর্তিতে আরো অনেক বিশয় নিয়ে আপনাদের জন্য পোস্ট লিখব সবাই দোয়া করবেন,আল্লাহ যেন পোস্ত লিখার সুজুগ করে দেন,পরবর্তি পোস্ট পর্যন্ত সবাই ভাল থাক্কুন,সুস্থ থাকুন।

আল্লাহ হাফেয।



About mir md ariful haque

Check Also

ইংরেজী শিখুন এখদম সহজ উপায়ে,ইংরেজী গ্রামারের গুরুত্বপূর্ন বিষয় parts of speech নিয়ে সহজ ভাষায় বিস্তারিত আলোচনা।

হ্যালো বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আসা করি ভাল আছেন,আজকে আমিয়াপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি…

Leave a Reply

Your email address will not be published.