Sunday , 15 September 2019
Home » SEO » SEO বাংলা টিউটোরিয়াল,সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরী(পর্ব-৫)

SEO বাংলা টিউটোরিয়াল,সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরী(পর্ব-৫)

হ্যালো বন্ধুরা,

আসসালামু আলাইকুম

সবাই কেমন আছেন?আশা করি ভাল আছেন।

আজকে আমাদের seo ফ্রি বাংলা টিউটোরিয়াল এর ৫ম পর্ব আর আমাদের আজকের পর্বের বিষয় হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি এটি এস ই ও এর একটী খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়।আপনার ওয়েবসাইট যদি সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি না হয় তাহলে আপনি যতই চেস্টা করেন খুব ভাল ফলাফল পাবেন নাহ।

তাহলে চলুন দেখে নেই আজকের পর্বে কী কী আলোচনা থাকছে-

১)সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি।

২)মাল্টিমিডিয়া এর ব্যবহার কমানো (Limiting Multimedia)

৩)গ্রাফিক্স নয় টেক্সট ব্যবহার করুন

৪)প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এবং seo

৫)সহজ করে ওয়েবসাইট তৈরি

৬)কন্টেন্ট(Content)

৭)ওয়েব কপি রাইটিং

এতক্ষনে আমরা জেনে নিলাম আমাদের আজকের পর্বে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, এবার চলুন মূল আলোচনায় চলে যাইঃ

১) সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরিঃ

এটি খুবই গুর
ত্বপূর্ণ যে একটি ওয়েবসাইটকে এমনভাবে তৈরী করতে হবে যেন সেটি সার্চ ইঞ্জিন পড়তে পারে এবং ইনডেক্স করতে পারে। তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে কোন উদ্দ্যেশ্যে আপনি সাইট টি ডেভোলপ করবেন এবং সেটি যেন ইউজারদের পারপাস ও সার্ভ করতে পারে। একটি ওয়েবসাইটে কি ধরনের প্রোডাক্ট সেল করবেন তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন একটি ইউসফুল সাইট তৈরী করা। কারণ আপনার সাইট যত ইউসফুল বা ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে ভিজিটরও তত বেশি আসবে। যেমন Amazone.com এটি শুধু বই বিক্রি করছে না আরও অনেক কিছু। এটি একটি ইউসফুল ওয়েবসাইট।

চিত্রঃ amazone এর ওয়েবসাইট

Amazone.com মূলত একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রয় করা হয়। মূলত এটি বই বিক্রির জন্য অনেক বিখ্যাত। অ্যামাজন এ অনেকগুলো পেইজ আছে তার পরও ইউজাররা এখানে এসে খুব সহজে খুজে পায়। যেমন পেইজ Book Page , এই পেইজে Book catagories, Besk Books, Amazon kindel এভাবে সাজানো আছে।

ইউজফুল সাইট ডেভোলপ করলে দুটি পারপাস সার্ভ হবে। একটি হল ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়বে এবং অন্যটি হল সার্চ ইঞ্জিনে সাইট র‌্যাংক বাড়াতে সাহায্য করবে। আমি এখানে যা লিখবো তা হল Making your website সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি।

২)মাল্টিমিডিয়া এর ব্যবহার কমানো (Limiting Multimedia)

অনেক বেশি গ্রাফিক্স এবং মাল্টিমিডিয়া ওয়েবসাইটে ইউজ করা ঠিক নয়। এটি আসলে পয়েন্ট লেস। বিশ্বের বেশিরভাগ সফল ওয়েবসাইট মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে না ব্যতিক্রম কিছু ওয়েবসাইট ছাড়া। Flas, Animation,video ব্যবহার না করাই ভাল। যেমন Amazone.com ওয়েবসাইটটি খুবই সিম্পল, সেখানে কোন এনিমেশন এবং ভিডিও ব্যবহার করা হয় নি। এমনকি ওয়েবসাইটটিতে কোন
Flas, Animation,video ব্যবহার করা হয় নি।

অন্যদিকে লক্ষ্য করু
ন myspace.com ওয়েবসাইটটি যেখানে অনেকবেশি মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করেছে। এ ধরনের ওয়েবসাইট খুব বেশি সার্চ ইঞ্জিন ফেন্ডলি না।

চিত্রঃ myspace.com ওয়েব সাইট।

কিন্তু কিছু ওয়েবসাইট আছে যাদের এগুলো ইউজ করা দরকার কারণ তারা এ ধরনের সার্ভিস দিয়েচ থাকে। যেমনঃ yahoo, Google, cnn &rboh ইত্যাদি।

আপনি আপনার প্রয়োজনে কিছু মাল্টিমিডিয়া ইউজ করতে পারেন। তবে মোটামুটি ব্যবহার করে। কেউ ওয়েবসাইটে অনেক ব্যবহার করে। কোন ওয়েবসাইটে মাল্টিমিডিয়া বেশি ব্যবহার, এটি সার্চ ইঞ্জিন পছন্দ করে না। অনেক সময় ওয়েব ডিজাইনার আপনাকে খুশি করার জন্যে অ্যানিমেশন ইউজ করত বলবে। তখন আপনার কিন্তু চিন্তা করতে হবে যে আপনি কাদের বেনিফিটের জন্য সাইট তৈরি করছেন।

৩)গ্রাফিক্স নয় টেক্সট ব্যবহার করুন

অনেক ওয়েবসাইটে পেইজ টেক্সট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়। নিম্নের ছবির ওয়েবসাইটটিতে লক্ষ্য করবেন টেক্সটগুলো ইমেজ আকারে দেখানো হয়েছে। এই টেক্সটগুলো কিন্তু ইমেজ ছাড়াও দেখানো যেতে পারতো। প্রায় সময় ওয়েব ডিজাইনার ইমেজ দিয়ে টেক্সট দেখাতে চায়। অনেকসময় সব ধরনের ফন্ট সব ব্রাউজারে ভালভাবে দেখায় না আর যদি টেক্সটগুলো ইমেজ এর মধ্যে থাকে তাহলে যেকোন ব্রাউজারেই ঠিক মত দেখায়।

চিত্রঃইমেজের মধ্যে লিখা

কিছু সাইর্চ ইঞ্জিন ইমেজের মধ্যকার টেক্সট পড়তে পারে না । অনেক সময় আমরা আমাদের কিছু কিওয়ার্ড পেইজের টেক্সট এর মধ্যে রেখে দেই। যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন সেগুলো পড়তে পারে। কিন্তু ইমেজে মধ্যে দিয়ে তো কোন লাভ নেই। পেইজের মধ্যে ইমেজ থাকলেও সেটি লোড হতে অনেক সময় লাগে।আপনার তৈরিকৃত ওয়েবসাইট যেন ইরোর এবং বাগ্স ফ্রি হয়। আপনি ওয়েব পেইজ তৈরি করার সময়
যে ধরনের ওয়েব ডিজাইন টেকনোলজি এবং টুল্স ব্যবহার করবেন মনে রাখতে হবে ঐ ওয়েব পেইজ গুলো যেন সার্চ ইঞ্জিন রিড করতে পারে।

৪)প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এবং seo

আমরা যখন seo প্লানিং করি তখন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজকে ব্যবহার করা হয় ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য। একটি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ- PHP, HTML, JAVA Script, CSS ইত্যাদি।

JAVA Scriptঃ

জাভাস্ক্রিপ্ট হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেটি দিয়ে ওয়েব ডিজাইনারা ডাইনামিক কনটেন্ট তৈরি করে কিন্তু বাস্তবে এটি SEO ফ্রেন্ডলি না।জাভাস্ক্রিপ্ট এর কারণে Crawler করা যায় না। এর কারণে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট খুব ভাল হয় না। অনেকে সাইটের কনটেন্ট এবং লিংকগুলেকে সার্চ ইঞ্জিন থেকে হাইড করে রাখে । কিন্তু এরকম না করা ভাল, কারণ সার্চ ইঞ্জিন এ ধরনের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আপনার
সাইট টি সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা স্পাম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

flashঃ

ফ্লাশ আরো একটি টেকনোলজি। যেটি বেশিরভাগ ইউজার (ইন্টারনেট ব্যবহারকারী) পছন্দ করে না।এটির কারণে একটি পেইজ লোড হতে অনেক সময় লাগে। এটির কারণে একটি ওয়েবসাইট অনেক স্লো হয়ে যায়। ফ্লাশ যখন পুরোপুরি অ্যাকটিভ না করে তখন পেইজ থেকে অন্য পেইজে ফরোয়ার্ড করা যায়না। ফ্লাশ দিয়ে ক্সতরিকৃত ওয়েবসাইটকে SEO অনেক কঠিন। ওয়েবসাইটে ফ্লাশ ইউস না করাই ভাল।

৫)সহজ করে ওয়েবসাইট তৈরিঃ

আপনি ওয়েব সাইট কি নিজের জন্য তৈরি করবেন নাকি অন্যের জন্য ? নিশ্চয় অন্যের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। সুতরাং যার জন্য তৈরি করবেন সে যেন এটিকে খুব সহজে ব্যবহার করতে পারে। সেজন্য আপনার ওয়েবসাইট টিকে সহজ করে তৈরি করতে হবে। অনেক সময় ভিজিটরদের কাছে খুবো কঠিন হয়ে যায় তারা ওয়েবসাইটে যেটা চাচ্ছে সেটা পেতে। বেশিরভাগ ওয়েব সাইট একটি নির্দিষ্ট সেবা দিয়ে থাকে। ইউজাররা যদি সে সার্ভিসের জন্য আপনার ওয়েব সাইটে আসে, সে যেন খুব সহজে সেটি খুঁজে পায়। নিম্নের চিত্রে লক্ষ কর
ন একজন ভিজিটর Delta airline website এ যাবে এয়ার টিকিট বুকিং দেওয়ার জন্য আর সেজন্য তার শুর
তেই বুক এ ট্রিপ অপশনটি রেখেছে।

চিত্রঃ ওয়েব সাইট Delta

কারণ এই ওয়েব সাইটে কোন ইউজারের আসার মূল কারণই হল টিকেট বুকিং দেওয়া, সেজন্য অপশন টিকে এমনভাবে রাখা হয়েছে যাতে ইউজার সহজে খুজে পায়। আপনার ওয়েব সাইট যখন ক্সতরি করবেন মনে রাখবেন আপনার ওয়েব সাইটের যে সার্ভিসগুলো দিতে চা‪চ্ছেন সে গুলো যেন খুব সহজে ইউজাদের নজর আকৃষ্ট করতে পারে। আপনার ওয়েব সাইটের প্রচুর তথ্য সার্চ ইঞ্জিন কে দিতে হবে
কর
ন যেন সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েব সাইট টিকে নেভিগেট করতে পারে।

৬)কন্টেন্ট(Content)ঃ

একটি ওয়েব সাইট সাধারণত করা হয়ে থাকে কনটেন্ট ডিসপ্লে করানোর জন্য। আর সেই কনটেন্ট এর জন্য সাধারণত ভিজিটররা আপনার সাইটে আসবে। তেমনি ওয়েব সাইটের কনটেন্ট হ‪চ্ছে অন্যতম একটি উপাদান SEO ফ্রেন্ডলি করানোর জন্য। অনেকেই বেশিরভাগ সময় কনটেন্ট লিখার জন্য দিয়ে থাকে আবার কেউ কেউ প্রফেশনাল কনটেন্ট রাইটার দিয়ে কনটেন্ট লিখে থাকে। কারণ আপনার ওয়েব সাইটের কনটেন্ট যত ভাল হবে, ভিজিটর তত বেশি আসবে এবং র‌্যাংকিং-এ ও ভাল অবস্থানে থাকবে।এমনভাবে কনটেন্ট তৈরি করতে হবে যেন Search crawler সেটা পছন্দ করে।

চিত্রঃওয়েব সাইটের কন্টেন্ট

ভাল কনটেন্ট গুলো সাধারণত Key word এবং Phrase দিয়ে শুর
 হয়। যে কোন একটি পেইজের কনটেন্ট (টেক্সট) সাধারনত তিনের বেশি কি ওয়ার্ড ব্যবহার না করাই ভাল। ওয়েব সাইটের কীওয়ার্ড গুলো কনটেন্ট এ ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেক বেশি কী ওয়ার্ড কনটেন্ট এ ইউজ করলে অনেক সময় সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্স করে না।

চিত্রঃটাইটেল এবং কন্টেন্ট পেইজ

কীওয়ার্ড ডেনসিটি হ‪চ্ছে একটি পেইজে কতবার কীওয়ার্ড লেখা হয়েছে। বেশিরভাগ সার্চ ইঞ্জিন এ কী ওয়ার্ড ডেনসিটি লো, গুগুলে কীওয়ার্ড ডেনসিটি ৫ থেকে ৭ এর মধ্যে। অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলো যেমন ইয়াহু এবং এম এস এন এর কীওয়ার্ড ডেনসিটি ৫ অ্যালাউ করে।অনেক সময় দেখা যায় একটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট অন্য একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ কপি করে তার নিজের ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ব্যবহার করছে। এভাবে যদি কেউ কনটেন্ট কপি করে নিয়ে যায়, অনেক ধরনের টুল্স আছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি খুঁজে পাবেন কোথায় বা কোন ওয়েবসাইটে বা ব্লগে আপনার কনটেন্ট নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও গুগুল এনালাইসিস দিয়ে মনিটরিং করা যায়। আপনার সাইটের ব্যবহৃত সকল কনটেন্ট সবসময় আপডেট রাখার চেষ্টা করন। পেইজ চেক করতে হবে যেন সেখানে স্পিলিং এবং এডিটিং ইরোর না থাকে। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইটের পেইজকে ইরোর ফ্রি রাখতে হবে এছাড়াও পেইজটাতে যেন প্রফেশনাল লুক থাকে।

তৈরিকৃত ওয়েবসাইটটি দেখতে যেন আগলি মনে না হয়। যেমন অনেক ওয়েবসাইটের কালার কম্বিনেশন ঠিক থাকে না। পেইজের টেক্সট যেন ইউজারের কাছে পড়ার উপযোগী হয়। ফন্ট চুজ টা বেটার হতে হবে। ব্যাক গ্রাউন্ড কালার সঠিক ভাবে সিলেক্ট করতে হবে যেন অন্য কালার কে ইফেক্ট না করে।পেইজের লে আউট যেন মেসিং হয়। আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে ( SEO ) কাজ করতে চান তাহলে ওয়েব সাইট ডিজাইন সম্পর্কে আপনার কিছু প্রাথমিক জ্ঞান থাকা অবশ্যই দরকার। আর সেটা জানার জন্য আপনার কোন ট্রেইনিং না করেও আমাদের এইচ টি এম এল টিউটোরিয়াল পড়ে শিখে নিবেন।

কনটেন্ট স্পামঃ- যখন বিভিন্ন Urls একই কনটেন্ট সরবরাহ করবে অর্থাৎ কনটেন্ট যখন ডুপ্লিকেট হবে, এটি হলে কনটেন্ট স্পাম হবার সম্ভাবনা থাকে। আপনার সাইটে যদি কোন ইউনিক কনটেন্ট না থাকে এবং রিলেভেন্ট কনটেন্ট না থাকে তাহলে সার্চ ইঞ্জিন সেটাকেও স্পাম কনসিডার করতে পারে। এমনকি
illegal কনটেন্ট এর ক্ষেত্রে।

৭)ওয়েব কপি রাইটিং

Relevant এবং ভাল রিটেন কনটেন্ট হ‪েছ ওয়েব সাইটের কিং। একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেইজকে টপ র‌্যাংকিং-এ নিতে হলে কনটেন্ট হ‪েছ অন্যতম ফিচার। SEO কপিরাইট দিয়ে আপনি ইউনিক ওয়েব কনটেন্ট লিখাতে পারেন। relevant এর জন্য আপনার পেইজকে স্কেন করবে। ১৫% এর কম ভিজিটর পুরো পেইজটিকে দেখে, ৮৫% ভিজিটর এক মিনিটের মধ্যে পেইজ থেকে বের হয়ে
আসে, কারণ তারা যেটা চায় সেটা যদি না পায়। সুতরাং আপনার পেইজের তথ্য অবশ্যই informative, concise এবং সহজে পড়তে পারে। Eye cathing & interesting heading হতে হবে। বাক্যগুলো কম্পে­ক্স করে না লেখা, জানা শব্দ ব্যবহার করা। প্যাসিভ ভয়েস ব্যবহার না করে এ্যকটিভ ভয়েস ব্যবহার করা ভাল। যেমন আমি ভাত খাই, একই জিনিস আপনি এভাবে লিখতে পারেন। আমার দ্বারা ভাত খাওয়া হয়েছে। ( (I eat rice- Rice is eaten by me) নিম্নের চিত্রে
দেখুন আমি গুগুলে সার্চ দিয়ে swot Analysis সম্পর্কে জানতে চা‪চ্ছি।

চিত্রঃসার্চ swot Analysis

সার্চ দেওয়ার পরে অনেকগুলো ওয়েবসাইটের লিংক আসছে, যেখানে swot Analysis সম্পর্কে যেখানে লেখা আছে।

চিত্রঃপেইজে swot Analysis content

উপরের চিত্রে দেখছি আমি যেটি জানতে চেয়েছি সেটি এই পেইজে পেয়েছি বলেই কিন্তু আমি পেইজটি পড়তে পারছি। আর যদি এর ভিতর দেখতাম বিজনেস এ্যানালাইসিস নিয়ে লেখা তা হলে হয়তো আমি পেইজটি পড়তাম না, কারণ পেইজে রিলেভেন্ট কনটেন্ট নেই। কপিরাইটিং-এর জন্য আপনার মিনিমাম অথবা বেসিক ওয়েব ডিজাইন জ্ঞান থাকতে হবে যদি আপনি এইচ,টি,এম,এল টিউটরিয়াল
পড়ে শিখতে পারেন।

তাহলে বন্ধুরা এগুলোই ছিল আজকের আলোচনা আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন,কেউ না বুঝলে একটা কমেন্ট করে বলে দেবেন আপনি কী বুঝতে পারেন নি, আমি আপনাকে বুঝানোর সর্বোচ্ছ চেস্টা করব,আর এখানেই শেষ করছি আজকের পর্ব ,আর ইনশাআল্লাহ পরবর্তি পর্ব খুব দ্রুতই নিয়ে আসব এবং পরবর্তি পর্বের বিষয় হবে কীওার্ড রিসার্চ এবং সিলেকশন নিয়ে,সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আমাদের সাইটের সাথেই থাকুন।

আল্লাহ হাফেজ

About Mir Md Aminul Haque

প্রযোক্তিকে ভালবাসি ,নিত্য জানতে চাই নতুন কিছু,ছড়িয়ে দিতে চাই উজার করে নিজের জ্ঞান সবার মাঝে।

Check Also

deactivate laptops built in keyboard

deactivate laptops built in keyboard – দেখেনিন কিভাবে।

deactivate laptops built in keyboard এই পোস্টটা আপনার জন্য খুবই দরকারি ,যদি আপনি laptop user…

Leave a Reply

Your email address will not be published.