Sunday , 15 September 2019
Home » Tag Archives: free seo treaning

Tag Archives: free seo treaning

SEO বাংলা টিউটোরিয়াল,কী ওয়ার্ড রিসার্চ এবং সিলেকশন(পার্ট-৬)

হ্যালো বন্ধুরা,

আসসালামু আলাইকুম

সবাই কেমন আছেন ?আশাকরি ভাল আছেন,আর আজকে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি SEO বাংলা টিউটোরিয়াল এর ৬ষ্ট পর্ব,আর আমাদের আজিকের পর্বের বিষয় হল,কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং সিলেকশন-

চলুন শুরু করা যাক আজকের পর্বের মূল আলোচনা-

প্রথমেই –

১)কী ওয়ার্ড রিসার্চ এবং সিলেকশন কীঃ

সার্চ ইঞ্জিন অপটি মাইজেশনের খুবই গুর
ত্বপূর্ণ বিষয় হল কীওয়ার্ড। একটি ওয়েব সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের টপ র‌্যাংকিং-এ আনার জন্য কীওয়ার্ড হচ্ছে খুবই গুরূত্বপূর্ণ একটি টুলস্। একটি পেইজের টোটাল কন্টেন্ট এর ২-৫ পার্সেন্ট এর মধ্যে কীওয়ার্ড থাকা উচিত। অর্থাৎ একটি পেইজে ২ বা ৩ টির বেশি ক ওয়ার্ড না থাকাই ভাল। কীওয়ার্ড সেই সব ওয়ার্ড যেগুলো দ্বারা আপনার ওয়েবসাইটকে ক্যাটালগ এবং ইনডেক্স করা হয় এমন কি খুঁজে পেতে সাহায্য করে। কী খুজে পাওয়া অথবা সিলেক্ট করা এটি খুব সহজ কাজ না। অনেক কোম্পানি কন্সালটেন্ট নিয়োগ দিয়ে থাকে কীওয়ার্ড রির্চাস এবং এনালাইসিস করার জন্য। আপনি যদি সঠিক কীওয়ার্ড সিলেক্ট করতে পারেন তবে আপনার সাইট টি সার্চ ইঞ্জিন এ ভিজিয়েবল হবে। অনেক ধরনের কীওয়ার্ড রিচার্স টুল্স আছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি সঠিক কীওয়ার্ড পেতে পরেন আপনার ওয়েব সাইটের জন্য।

২ কীওয়ার্ড এর গুরুত্বঃ

আপনি যখন সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করেন তখন আপনি একটি শব্দ বা একের অধিক শব্দ টাইপ করেন এবং সার্চ বাটনে ক্লিক করেন। এর পর সার্চ ইঞ্জিন ঐ শব্দগুলোকে এর ইন্ডেক্স এ খুঁজে দেখে। মনে কর
ন আপনি সার্চ করতে চাচ্ছেন একটি ব্রান্ড কার এর নাম দিয়ে। যেমনঃ- Ford । এখন এটি লিখে সার্চ
দি‪িছ।

তখন সার্চ ইঞ্জিন যে কাজ গুলো সাধারণত করে থাকে

 পেইজে ঐ Ford আছে কিনা।

 পেইজে যদি Ford না থাকে তাহলে এর কাছাকাছি কোন শব্দ আছে কিনা।

 পেইজের কোন লিংক এ Ford আছে কিনা অর্থাৎ Ford লেখা আছে কিনা।

 বোল্ড টেক্সট।

 Italicited টেক্সট।

 Bulleted লিস্ট।

 কোন টেক্সট যেটি অন্য টেক্সট এর চেয়ে বড়।

 হেডিং টেক্সট।

কীওয়ার্ড দ্বারা বুঝা যায় একটি ওয়েব সাইট কোন ধরনের এবং কি বিষয় ঐ ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। যেমন মনে কর
ন-আপনি হোটেল খুজতে চা‪চ্ছেন, সুতরাং হোটেল হচ্ছে আপনার একটি কীওয়ার্ড। পৃথিবীতে অনেক হোটেল আছে সব হোটেল থেকে আপনারটাকে কত নম্বর পজিশনে দেখাবে?

এখন আসুন কীওয়ার্ড এনালাইসিস। একটু ভাবুন আপনার হোটেল যদি হয় দুবাই, আর আপনি যদি লেখেন দুবাই হোটেল, তাহলে অনেক প্রতিযোগিতা কমে গেল। এখন আপনার হোটেলের সাথে দুবাই এর হোটেল গুলোর কম্পিটিশন হবে।

উপরের উদাহরন থেকে বুঝা যাচ্ছে, আপনি যত নির্দিষ্ট করে সার্চ দিবেন আপনার সার্চ রেজাল্ট ও নির্দিষ্ট হবে। Hotel in asia দিয়ে সার্চ দিলে যেকোন দেশের হোটেল এর লিংক সার্চ রেজাল্ট এ শো করবে।

কিন্তু আপনি যদি hotel in dubai দিয়ে সার্চ করেন তাহলে শুধু দুবাই এর হোটেল দেখতে পাবেন। সার্চ ইঞ্জিন crawler বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট কীওয়ার্ড দিয়ে ভিজিট করে। আপনার ওয়েব সাইটের জন্য কীওয়ার্ড সিলেকশন যদি ভূল হয় তাহলে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক ও আসবে না। অনেকেই খুব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের ওয়েব সাইট তৈরি করে কিন্তু তারা সঠিক কীওয়ার্ড Realize কম করে। একজন ইউজার যে কোন সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে কোন তথ্য জানার জন্য যে ওয়ার্ড বা ফেজ লিখছেন সেটিকেই আমরা কীওয়ার্ড বলবো।

আপনি কী জানেন ? মানুষ কোন কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিবে? আর মানুষের সেই
জানার বিষয়টাকে যত বেশি আপনি জানতে পারবেন ততই আপনার কীওয়ার্ড সিলেকশন সঠিক হবে। আর এ জন্য আপনাকে কীওয়ার্ড নিয়ে রিচার্স এবং এনালাইসিস করতে হবে। আপনি কীওয়ার্ড নিয়ে যত বেশি এনালাইসিস করবেন ততই আপনার ওয়েবসাইটের জন্য উপযুক্ত কীওয়ার্ড খুজে পাবেন। এ বিষয়
গুলো পরবর্তীতে আমরা আরো বিষদ ভাবে আলোচনা করব।

৩)কীওয়ার্ড এনালাইসিস শুরু করা-

 কীওয়ার্ড এনালাইসিস শুর
 করার আগে ভাবতে হবে কি ধরনের কীওয়ার্ড মানুষ সার্চ করতে ব্যবহার করে। অনেক সময় দেখা যায় কীওয়ার্ড এনালাইসিস এর জন্য অনেক বেশি সময় দিতে হয়।

 আপনি যেসব কীওয়ার্ডগুলো চিন্তা করছেন অথবা ভাবছেন ঐ সব কীওয়ার্ডগুলো কোন টেক্স এডিটর বা ওয়ার্ড প্রসেসরে টাইপ করে রাখুন। যখন কোন কীওয়ার্ড আপনার মনে পড়বে তখনই সেটাকে আপনি লিখে রাখুন। আর আপনি যদি লিখা শুর
 না করেন তবে আপনার মনে নতুন নতুন কীওয়ার্ড আসবে না। যত পারেন প্রতিদিন কিছু কিছু কীওয়ার্ড লিখুন। এ সময় দেখবেন আপনি যা চিন্তা করেন নি তার চেয়ে অনেক বেশি কীওয়ার্ড লেখা হয়ে গেছে। আপনার কখন ও ভাবা ঠিক হবে না যে আজকের মধ্যেই অথবা একবার শুর
 করেই কীওয়ার্ড এনালাইসিস শেষ করে ফেলবো। কারণ এটা অনেকটাই একটা সৃজনশীল ও বুদ্ধিমত্তার কাজ। এমন ও হতে পারে আজকে আপনি শুর
 করেছেন ভাবতে ও পারছেন না কি চিন্তা করবো। দয় করে থেমে থাকবেন না। আবার আগামীকাল শুর
 কর
ন । এভাবে এক সময় দেখবেন আপনি অনেকের চেয়ে ভাল কীওয়ার্ড এনালাইসিস করতে পারবেন। কারণ কোন কাজ শেষ করার পূর্ব শর্ত হল শুর
 করা।চ

 আপনি নিজে নিজে শুধু চিন্তা করবেন না বরং আপনার ফ্রেন্ডস এবং কলিকদের সাথেও আপনি আলোচনা করতে পারেন। দেখবেন তাদের থেকে আপনি ভাল কোন আইডিয়া পাচ্ছেন। যেটা আপনাকে কীওয়ার্ড সিলেক্ট করতে সাহায্য করবে। আপনি বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলে জেনে নিতে পারেন তারা কোন ধরনের শব্দ দিয়ে কোন নিদিষ্ট তথ্য সার্চ করে।

 এবার আপনি তৈরি করা লিস্টটি চেক কর
ন কোন ধরনের বানান ভুল আছে কিনা। কীওয়ার্ডগুলো অবশ্যই ইংরেজিতে লিখবেন। তৈরিকৃত লিস্ট থেকে কিছু কীওয়ার্ড বাদ দিতে পারেন যেগুলো আপনার সাইট এবং সাইটের কন্টেন্ট এর সাথে মিল নেই। অর্থাৎ Relevent কীওয়ার্ড। এখন আপনি নিজে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন কোন ধরনের কীওয়ার্ড গুলো ইউজার বেশি সার্চ করে। এছাড়া এধরনের কিছু স্টাটিসটিক্স এর জন্য পরবর্তীতে কিছু টুল্স এর ব্যবহার দেখাবো।

চিত্রঃ 4 foreign education সার্চ রেজাল্ট।

উপরের চিত্রে দেখা যাচ্ছে foreign education দিয়ে গুগলে সার্চ দিলে সার্চ রেজাল্ট দেখাচ্ছে ১৩২০০০০০০। একই উদ্দ্যেশ্যেই যদি আমি সার্চ করিAbroad education তাহলে সার্চ দেখাচ্ছে ২৬০০০০০০। শুধু তাইনা সার্চ রেজাল্টে এর লিংকগুলো ও দুভাবে সার্চ দিলে আগে পরে আসবে হয়তো foreign education এর জন্য যে সাইটে সার্চ রেজাল্টের টপে আছে দেখা যাচ্ছে Abroad education এর জন্য সেটি টপে নাও থাকতে পারে।চ

 আপনার প্রেডাক্ট-এর নাম যদি এক শব্দে হয় ধর
ন আপনার একটি প্রডাক্টে এর নাম Readleaf আপনি হয়তো ভাবতে পারেন আপনার কীওয়ার্ড Readleaf কিন্তু মনে রাখতে হবে আপনি যখন কীওয়ার্ড এনালাইসিস করছেন তখন কিন্তু কাস্টমারের কথা চিন্তা করে করতে হবে। এমন ও হতে পারে আপনার কাস্টমার হয়তো সার্চ দিচ্ছে Read leaf দুটো আলাদা শব্দ ব্যবহার করে। সেজন্য মাঝে মাঝে শব্দকে ভেঙ্গে লিখতে পারে। সেজন্য কখনও কখনও শব্দ মার্জ করতে হতে পারে আবার কখনও কখনও শব্দকে আলাদা করে লিখতে হতে পারে। আপনি সার্চ
ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে এবং সার্চ রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে বুঝতে পারবেন কোন শব্দটি কত বেশি ব্যবহার হয়।

 আপনি আপনার তৈরিকৃত লিস্টে সিঙ্গুলার এবং প্লোরাল আলাদা করে এ্যাড করে নিন। কারণ সার্চ ইঞ্জিন সিঙ্গুলার এবং প্লোরালকে আলাদা করে ট্রিট করে। যেমন আপনি যদি সার্চ বক্সে লিখেন Ford এবং fords এদুটিকে আলাদা করে দেখাবে এবং সার্চ রেজাল্টও আলাদা দেখাবে। পরবর্তীতে Wordtraker নিয়ে আলোচনা করা হবে যেটির সাহাজ্যে কীওয়ার্ড সিলেক্ট করা যায়। তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন এখানে আপারকেস এবং লোয়ার কেস কোন বিষয় নয়।

যেমন আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিনে FORD দিয়ে আপনি যে সার্চ রেজাল্ট পাবেন আপনি ঠিক ford দিয়ে আপনি যে সার্চ কর
ন ঐ একই রেজাল্ট পাবেন।
অর্থাৎ ছোট হাতের বা বড় হাতের যা দিয়েই করি না আউটপুট একই আসবে।

এছাড়াও যদি আপনি ছোট হাতের বা বড় হাতের এক সাথেও লিখেন সার্চ রেজাল্ট একই থাকবে।

তবে বেশির ভাগ ইউজার লোয়ার লেটার দিয়েই সার্চ করে।

 অনেক সময় কিছু ওয়ার্ড কেউ হাইপেন দিয়ে লিখেন। আবার কেউ হাইপেন ছাড়া লিখেন। সুতরাং আমরা দুটিকেই আলাদা আলাদাভাবে লিখব। যেমন ই-কমার্স এটাকে অনেকে ই-কমার্স এভাবেও লিখে থাকে। তবে সব সময় সঠিক এবং ভুল চিন্তা করা যাবে না। আপনি যদি মনে করেন একটি শব্দ এভাবে লেখা ভূল আপনি সেটাকে কীওয়ার্ড হিসেবে চিন্তা করবেন না। এটা ঠিক না কারন আপনার উদ্দ্যেশ্য ভিজিটর নিয়ে আসা। সুতরাং তারা ভুল করে কি সার্চ দিতেপারে সেটা ও আপনাকে চিন্তা করতে হবে।যেন সার্চ রেজাল্ট একই থাকবে।

অনেক সময় ইউজার কোম্পানি নেইম এবং প্রোডাক্ট নেইম লিখেও সার্চ দিয়ে থাকে সেজন্য কোম্পানি নেইম এবং কোম্পানি নেইম ও কীওয়ার্ড লিস্টে এ্যাড কর
ন।

৪) Anchor টেক্সট

লিংক টেক্সট প্রায় ওয়েবসাইটে এ্যাড করা হয়। এটি সাধারণত আন্ডারলাইন এবং অল্টারনেটিভ কালার এরকমভাবে থাকে।

চিত্রঃচিহ্নিত করা এ্যাংকর টেক্সট।

সার্চ ইঞ্জিন ক্রোয়েলারগুলো যখন এম্বেডেড করা এ্যাংকর টেক্সট গুলো রিড করে তখন বুঝতে পারে এটা কোন ধরনের সাইট। আপনি চাইলে আপনার কীওয়ার্ডকে এ্যাংকর টেক্সট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এত করে আপনার কীওয়ার্ড র‌্যাংকিং এবং এ্যাংকর টেক্সট র‌্যাংকিং দুটোই বেড়ে গেল। সব সময় চেষ্টা করা উচিত আপনার এ্যাংকর টেক্সট অন্যদের চেয়ে আলাদা হয়। আপনার ওয়েবসাইটের র‌্যাংকিং বাড়ানোর জন্য এবং ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য অন্যতম হচ্ছে সাইটম্যাপ।

তাহলে বন্ধুরা এখানেই শেষ করতেছি আজকের পর্ব ,পরবর্তি পর্বে আমরা কী ওয়ার্ড রিসার্চ এবং সিলেকশন নিয়ে আরো আলোচনা করব ,আজকের পর্বটি অনেক লম্ভা হয়ে গেসে তাই আর আজকের পর্বে লিখতে পারতেছি নাহ,আসলে এত বড় পোস্ট টাইফ করা অনেক কস্টের কাজ ,আমার হাত ব্যথা করতেছে তাও আমি পোস্ট গুলো আপনাদের জন্য লিখি।সবাই দয়া করে কমেন্ট করবেন,শেয়ার করবেন ,আর আজকের পর্ব এখানেই শেষ করছি সবাই ভাল থাকুন ।

আল্লাহ হাফেজ

SEO বাংলা টিউটোরিয়াল,সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরী(পর্ব-৫)

হ্যালো বন্ধুরা,

আসসালামু আলাইকুম

সবাই কেমন আছেন?আশা করি ভাল আছেন।

আজকে আমাদের seo ফ্রি বাংলা টিউটোরিয়াল এর ৫ম পর্ব আর আমাদের আজকের পর্বের বিষয় হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি এটি এস ই ও এর একটী খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়।আপনার ওয়েবসাইট যদি সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি না হয় তাহলে আপনি যতই চেস্টা করেন খুব ভাল ফলাফল পাবেন নাহ।

তাহলে চলুন দেখে নেই আজকের পর্বে কী কী আলোচনা থাকছে-

১)সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি।

২)মাল্টিমিডিয়া এর ব্যবহার কমানো (Limiting Multimedia)

৩)গ্রাফিক্স নয় টেক্সট ব্যবহার করুন

৪)প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এবং seo

৫)সহজ করে ওয়েবসাইট তৈরি

৬)কন্টেন্ট(Content)

৭)ওয়েব কপি রাইটিং

এতক্ষনে আমরা জেনে নিলাম আমাদের আজকের পর্বে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, এবার চলুন মূল আলোচনায় চলে যাইঃ

১) সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরিঃ

এটি খুবই গুর
ত্বপূর্ণ যে একটি ওয়েবসাইটকে এমনভাবে তৈরী করতে হবে যেন সেটি সার্চ ইঞ্জিন পড়তে পারে এবং ইনডেক্স করতে পারে। তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে কোন উদ্দ্যেশ্যে আপনি সাইট টি ডেভোলপ করবেন এবং সেটি যেন ইউজারদের পারপাস ও সার্ভ করতে পারে। একটি ওয়েবসাইটে কি ধরনের প্রোডাক্ট সেল করবেন তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন একটি ইউসফুল সাইট তৈরী করা। কারণ আপনার সাইট যত ইউসফুল বা ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে ভিজিটরও তত বেশি আসবে। যেমন Amazone.com এটি শুধু বই বিক্রি করছে না আরও অনেক কিছু। এটি একটি ইউসফুল ওয়েবসাইট।

চিত্রঃ amazone এর ওয়েবসাইট

Amazone.com মূলত একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রয় করা হয়। মূলত এটি বই বিক্রির জন্য অনেক বিখ্যাত। অ্যামাজন এ অনেকগুলো পেইজ আছে তার পরও ইউজাররা এখানে এসে খুব সহজে খুজে পায়। যেমন পেইজ Book Page , এই পেইজে Book catagories, Besk Books, Amazon kindel এভাবে সাজানো আছে।

ইউজফুল সাইট ডেভোলপ করলে দুটি পারপাস সার্ভ হবে। একটি হল ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়বে এবং অন্যটি হল সার্চ ইঞ্জিনে সাইট র‌্যাংক বাড়াতে সাহায্য করবে। আমি এখানে যা লিখবো তা হল Making your website সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি।

২)মাল্টিমিডিয়া এর ব্যবহার কমানো (Limiting Multimedia)

অনেক বেশি গ্রাফিক্স এবং মাল্টিমিডিয়া ওয়েবসাইটে ইউজ করা ঠিক নয়। এটি আসলে পয়েন্ট লেস। বিশ্বের বেশিরভাগ সফল ওয়েবসাইট মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে না ব্যতিক্রম কিছু ওয়েবসাইট ছাড়া। Flas, Animation,video ব্যবহার না করাই ভাল। যেমন Amazone.com ওয়েবসাইটটি খুবই সিম্পল, সেখানে কোন এনিমেশন এবং ভিডিও ব্যবহার করা হয় নি। এমনকি ওয়েবসাইটটিতে কোন
Flas, Animation,video ব্যবহার করা হয় নি।

অন্যদিকে লক্ষ্য করু
ন myspace.com ওয়েবসাইটটি যেখানে অনেকবেশি মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করেছে। এ ধরনের ওয়েবসাইট খুব বেশি সার্চ ইঞ্জিন ফেন্ডলি না।

চিত্রঃ myspace.com ওয়েব সাইট।

কিন্তু কিছু ওয়েবসাইট আছে যাদের এগুলো ইউজ করা দরকার কারণ তারা এ ধরনের সার্ভিস দিয়েচ থাকে। যেমনঃ yahoo, Google, cnn &rboh ইত্যাদি।

আপনি আপনার প্রয়োজনে কিছু মাল্টিমিডিয়া ইউজ করতে পারেন। তবে মোটামুটি ব্যবহার করে। কেউ ওয়েবসাইটে অনেক ব্যবহার করে। কোন ওয়েবসাইটে মাল্টিমিডিয়া বেশি ব্যবহার, এটি সার্চ ইঞ্জিন পছন্দ করে না। অনেক সময় ওয়েব ডিজাইনার আপনাকে খুশি করার জন্যে অ্যানিমেশন ইউজ করত বলবে। তখন আপনার কিন্তু চিন্তা করতে হবে যে আপনি কাদের বেনিফিটের জন্য সাইট তৈরি করছেন।

৩)গ্রাফিক্স নয় টেক্সট ব্যবহার করুন

অনেক ওয়েবসাইটে পেইজ টেক্সট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়। নিম্নের ছবির ওয়েবসাইটটিতে লক্ষ্য করবেন টেক্সটগুলো ইমেজ আকারে দেখানো হয়েছে। এই টেক্সটগুলো কিন্তু ইমেজ ছাড়াও দেখানো যেতে পারতো। প্রায় সময় ওয়েব ডিজাইনার ইমেজ দিয়ে টেক্সট দেখাতে চায়। অনেকসময় সব ধরনের ফন্ট সব ব্রাউজারে ভালভাবে দেখায় না আর যদি টেক্সটগুলো ইমেজ এর মধ্যে থাকে তাহলে যেকোন ব্রাউজারেই ঠিক মত দেখায়।

চিত্রঃইমেজের মধ্যে লিখা

কিছু সাইর্চ ইঞ্জিন ইমেজের মধ্যকার টেক্সট পড়তে পারে না । অনেক সময় আমরা আমাদের কিছু কিওয়ার্ড পেইজের টেক্সট এর মধ্যে রেখে দেই। যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন সেগুলো পড়তে পারে। কিন্তু ইমেজে মধ্যে দিয়ে তো কোন লাভ নেই। পেইজের মধ্যে ইমেজ থাকলেও সেটি লোড হতে অনেক সময় লাগে।আপনার তৈরিকৃত ওয়েবসাইট যেন ইরোর এবং বাগ্স ফ্রি হয়। আপনি ওয়েব পেইজ তৈরি করার সময়
যে ধরনের ওয়েব ডিজাইন টেকনোলজি এবং টুল্স ব্যবহার করবেন মনে রাখতে হবে ঐ ওয়েব পেইজ গুলো যেন সার্চ ইঞ্জিন রিড করতে পারে।

৪)প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এবং seo

আমরা যখন seo প্লানিং করি তখন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজকে ব্যবহার করা হয় ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য। একটি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ- PHP, HTML, JAVA Script, CSS ইত্যাদি।

JAVA Scriptঃ

জাভাস্ক্রিপ্ট হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেটি দিয়ে ওয়েব ডিজাইনারা ডাইনামিক কনটেন্ট তৈরি করে কিন্তু বাস্তবে এটি SEO ফ্রেন্ডলি না।জাভাস্ক্রিপ্ট এর কারণে Crawler করা যায় না। এর কারণে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট খুব ভাল হয় না। অনেকে সাইটের কনটেন্ট এবং লিংকগুলেকে সার্চ ইঞ্জিন থেকে হাইড করে রাখে । কিন্তু এরকম না করা ভাল, কারণ সার্চ ইঞ্জিন এ ধরনের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আপনার
সাইট টি সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা স্পাম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

flashঃ

ফ্লাশ আরো একটি টেকনোলজি। যেটি বেশিরভাগ ইউজার (ইন্টারনেট ব্যবহারকারী) পছন্দ করে না।এটির কারণে একটি পেইজ লোড হতে অনেক সময় লাগে। এটির কারণে একটি ওয়েবসাইট অনেক স্লো হয়ে যায়। ফ্লাশ যখন পুরোপুরি অ্যাকটিভ না করে তখন পেইজ থেকে অন্য পেইজে ফরোয়ার্ড করা যায়না। ফ্লাশ দিয়ে ক্সতরিকৃত ওয়েবসাইটকে SEO অনেক কঠিন। ওয়েবসাইটে ফ্লাশ ইউস না করাই ভাল।

৫)সহজ করে ওয়েবসাইট তৈরিঃ

আপনি ওয়েব সাইট কি নিজের জন্য তৈরি করবেন নাকি অন্যের জন্য ? নিশ্চয় অন্যের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। সুতরাং যার জন্য তৈরি করবেন সে যেন এটিকে খুব সহজে ব্যবহার করতে পারে। সেজন্য আপনার ওয়েবসাইট টিকে সহজ করে তৈরি করতে হবে। অনেক সময় ভিজিটরদের কাছে খুবো কঠিন হয়ে যায় তারা ওয়েবসাইটে যেটা চাচ্ছে সেটা পেতে। বেশিরভাগ ওয়েব সাইট একটি নির্দিষ্ট সেবা দিয়ে থাকে। ইউজাররা যদি সে সার্ভিসের জন্য আপনার ওয়েব সাইটে আসে, সে যেন খুব সহজে সেটি খুঁজে পায়। নিম্নের চিত্রে লক্ষ কর
ন একজন ভিজিটর Delta airline website এ যাবে এয়ার টিকিট বুকিং দেওয়ার জন্য আর সেজন্য তার শুর
তেই বুক এ ট্রিপ অপশনটি রেখেছে।

চিত্রঃ ওয়েব সাইট Delta

কারণ এই ওয়েব সাইটে কোন ইউজারের আসার মূল কারণই হল টিকেট বুকিং দেওয়া, সেজন্য অপশন টিকে এমনভাবে রাখা হয়েছে যাতে ইউজার সহজে খুজে পায়। আপনার ওয়েব সাইট যখন ক্সতরি করবেন মনে রাখবেন আপনার ওয়েব সাইটের যে সার্ভিসগুলো দিতে চা‪চ্ছেন সে গুলো যেন খুব সহজে ইউজাদের নজর আকৃষ্ট করতে পারে। আপনার ওয়েব সাইটের প্রচুর তথ্য সার্চ ইঞ্জিন কে দিতে হবে
কর
ন যেন সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েব সাইট টিকে নেভিগেট করতে পারে।

৬)কন্টেন্ট(Content)ঃ

একটি ওয়েব সাইট সাধারণত করা হয়ে থাকে কনটেন্ট ডিসপ্লে করানোর জন্য। আর সেই কনটেন্ট এর জন্য সাধারণত ভিজিটররা আপনার সাইটে আসবে। তেমনি ওয়েব সাইটের কনটেন্ট হ‪চ্ছে অন্যতম একটি উপাদান SEO ফ্রেন্ডলি করানোর জন্য। অনেকেই বেশিরভাগ সময় কনটেন্ট লিখার জন্য দিয়ে থাকে আবার কেউ কেউ প্রফেশনাল কনটেন্ট রাইটার দিয়ে কনটেন্ট লিখে থাকে। কারণ আপনার ওয়েব সাইটের কনটেন্ট যত ভাল হবে, ভিজিটর তত বেশি আসবে এবং র‌্যাংকিং-এ ও ভাল অবস্থানে থাকবে।এমনভাবে কনটেন্ট তৈরি করতে হবে যেন Search crawler সেটা পছন্দ করে।

চিত্রঃওয়েব সাইটের কন্টেন্ট

ভাল কনটেন্ট গুলো সাধারণত Key word এবং Phrase দিয়ে শুর
 হয়। যে কোন একটি পেইজের কনটেন্ট (টেক্সট) সাধারনত তিনের বেশি কি ওয়ার্ড ব্যবহার না করাই ভাল। ওয়েব সাইটের কীওয়ার্ড গুলো কনটেন্ট এ ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেক বেশি কী ওয়ার্ড কনটেন্ট এ ইউজ করলে অনেক সময় সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্স করে না।

চিত্রঃটাইটেল এবং কন্টেন্ট পেইজ

কীওয়ার্ড ডেনসিটি হ‪চ্ছে একটি পেইজে কতবার কীওয়ার্ড লেখা হয়েছে। বেশিরভাগ সার্চ ইঞ্জিন এ কী ওয়ার্ড ডেনসিটি লো, গুগুলে কীওয়ার্ড ডেনসিটি ৫ থেকে ৭ এর মধ্যে। অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলো যেমন ইয়াহু এবং এম এস এন এর কীওয়ার্ড ডেনসিটি ৫ অ্যালাউ করে।অনেক সময় দেখা যায় একটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট অন্য একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ কপি করে তার নিজের ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ব্যবহার করছে। এভাবে যদি কেউ কনটেন্ট কপি করে নিয়ে যায়, অনেক ধরনের টুল্স আছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি খুঁজে পাবেন কোথায় বা কোন ওয়েবসাইটে বা ব্লগে আপনার কনটেন্ট নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও গুগুল এনালাইসিস দিয়ে মনিটরিং করা যায়। আপনার সাইটের ব্যবহৃত সকল কনটেন্ট সবসময় আপডেট রাখার চেষ্টা করন। পেইজ চেক করতে হবে যেন সেখানে স্পিলিং এবং এডিটিং ইরোর না থাকে। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইটের পেইজকে ইরোর ফ্রি রাখতে হবে এছাড়াও পেইজটাতে যেন প্রফেশনাল লুক থাকে।

তৈরিকৃত ওয়েবসাইটটি দেখতে যেন আগলি মনে না হয়। যেমন অনেক ওয়েবসাইটের কালার কম্বিনেশন ঠিক থাকে না। পেইজের টেক্সট যেন ইউজারের কাছে পড়ার উপযোগী হয়। ফন্ট চুজ টা বেটার হতে হবে। ব্যাক গ্রাউন্ড কালার সঠিক ভাবে সিলেক্ট করতে হবে যেন অন্য কালার কে ইফেক্ট না করে।পেইজের লে আউট যেন মেসিং হয়। আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে ( SEO ) কাজ করতে চান তাহলে ওয়েব সাইট ডিজাইন সম্পর্কে আপনার কিছু প্রাথমিক জ্ঞান থাকা অবশ্যই দরকার। আর সেটা জানার জন্য আপনার কোন ট্রেইনিং না করেও আমাদের এইচ টি এম এল টিউটোরিয়াল পড়ে শিখে নিবেন।

কনটেন্ট স্পামঃ- যখন বিভিন্ন Urls একই কনটেন্ট সরবরাহ করবে অর্থাৎ কনটেন্ট যখন ডুপ্লিকেট হবে, এটি হলে কনটেন্ট স্পাম হবার সম্ভাবনা থাকে। আপনার সাইটে যদি কোন ইউনিক কনটেন্ট না থাকে এবং রিলেভেন্ট কনটেন্ট না থাকে তাহলে সার্চ ইঞ্জিন সেটাকেও স্পাম কনসিডার করতে পারে। এমনকি
illegal কনটেন্ট এর ক্ষেত্রে।

৭)ওয়েব কপি রাইটিং

Relevant এবং ভাল রিটেন কনটেন্ট হ‪েছ ওয়েব সাইটের কিং। একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেইজকে টপ র‌্যাংকিং-এ নিতে হলে কনটেন্ট হ‪েছ অন্যতম ফিচার। SEO কপিরাইট দিয়ে আপনি ইউনিক ওয়েব কনটেন্ট লিখাতে পারেন। relevant এর জন্য আপনার পেইজকে স্কেন করবে। ১৫% এর কম ভিজিটর পুরো পেইজটিকে দেখে, ৮৫% ভিজিটর এক মিনিটের মধ্যে পেইজ থেকে বের হয়ে
আসে, কারণ তারা যেটা চায় সেটা যদি না পায়। সুতরাং আপনার পেইজের তথ্য অবশ্যই informative, concise এবং সহজে পড়তে পারে। Eye cathing & interesting heading হতে হবে। বাক্যগুলো কম্পে­ক্স করে না লেখা, জানা শব্দ ব্যবহার করা। প্যাসিভ ভয়েস ব্যবহার না করে এ্যকটিভ ভয়েস ব্যবহার করা ভাল। যেমন আমি ভাত খাই, একই জিনিস আপনি এভাবে লিখতে পারেন। আমার দ্বারা ভাত খাওয়া হয়েছে। ( (I eat rice- Rice is eaten by me) নিম্নের চিত্রে
দেখুন আমি গুগুলে সার্চ দিয়ে swot Analysis সম্পর্কে জানতে চা‪চ্ছি।

চিত্রঃসার্চ swot Analysis

সার্চ দেওয়ার পরে অনেকগুলো ওয়েবসাইটের লিংক আসছে, যেখানে swot Analysis সম্পর্কে যেখানে লেখা আছে।

চিত্রঃপেইজে swot Analysis content

উপরের চিত্রে দেখছি আমি যেটি জানতে চেয়েছি সেটি এই পেইজে পেয়েছি বলেই কিন্তু আমি পেইজটি পড়তে পারছি। আর যদি এর ভিতর দেখতাম বিজনেস এ্যানালাইসিস নিয়ে লেখা তা হলে হয়তো আমি পেইজটি পড়তাম না, কারণ পেইজে রিলেভেন্ট কনটেন্ট নেই। কপিরাইটিং-এর জন্য আপনার মিনিমাম অথবা বেসিক ওয়েব ডিজাইন জ্ঞান থাকতে হবে যদি আপনি এইচ,টি,এম,এল টিউটরিয়াল
পড়ে শিখতে পারেন।

তাহলে বন্ধুরা এগুলোই ছিল আজকের আলোচনা আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন,কেউ না বুঝলে একটা কমেন্ট করে বলে দেবেন আপনি কী বুঝতে পারেন নি, আমি আপনাকে বুঝানোর সর্বোচ্ছ চেস্টা করব,আর এখানেই শেষ করছি আজকের পর্ব ,আর ইনশাআল্লাহ পরবর্তি পর্ব খুব দ্রুতই নিয়ে আসব এবং পরবর্তি পর্বের বিষয় হবে কীওার্ড রিসার্চ এবং সিলেকশন নিয়ে,সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আমাদের সাইটের সাথেই থাকুন।

আল্লাহ হাফেজ

SEO বাংলা টিউটোরিয়াল,এস ই ও এর জন্য পরিকল্পনা তৈরী(Creating an SEO Plan)(পর্ব-৪)

হ্যালো বন্ধুরা ,

আসস্লামু আলাইকুম,

সবাই কেমন আছেন আসাকরি ভালই আছেন,আজকে আমাদের এস ই ও বাংলা টিউটোরিয়াল এর ৪র্থ পর্ব এবং আমাদের আজকের বিষয় এস ই ও এর জন্য পরিকল্পনা তৈরী,আজকের পর্বে আমরা শিখব-

এতক্ষনে আমরা দেখেনিলাম আমাদের আজকের সূচি পত্র এখন চলুন আমরা চলে যাই মূল আলোচনায়।

প্রথমেই দেখেনেই

এস এ ও এর জন্য পরিকল্পনা তৈরী কতটা গুরুত্বপুর্ন-

একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করার পূর্বে একটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের
পরিকল্পনা তৈরী করা দরকার। এটি আপনাকে SEO এর জন্য লক্ষে পৌছাতে সাহায্য করবে।SEO প্ল্যান তৈরী করলে আপনি বুঝতে পারবেন কখন কোন বিষয়টি আপনার বেশি নজর রাখা উচিত। SEO এমন একটি কাজ যেটির প্ল্যান আপনাকে মাঝে মাঝে পরিবর্তন করতে হতে পারে।SEO এর প্ল্যান ডাইনামিক হওয়া উচিত। কারণ স্বাভাবিক নিয়মে পরিবর্তন হয়।

১) SEO কেন প্রয়োজন (Why you need SEO)
SEO হ‪চ্ছে একটি Technology যেটি আপনার ওয়েব সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের একটি ভাল অবস্থায় নিয়ে যেতে সাহায্য করে। একটি সাইটের Internal এবং External উভয় বিষয়গুলো চিন্তা করা উচিত। কারণ একটি সাইট সার্চ ইঞ্জিনে ভাল অবস্থায় যাওয়ার জন্য এগুলোও কাজ করে।সার্চ ইঞ্জিন অপটি মাইজেশন এত গুর
ত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ কি? মনে করেন অনেকগুলো মানুষের মাঝে আপনি আছেন, এখন এত মানুষের মাঝে অন্যরা কিভাবে আপনাকে খুঁজে পাবে।

চিত্রঃ People crowd
চিত্রঃ অনেকগুলো মানুষের ভিড়


উপরের চিত্রে দেখা যা‪চ্ছে এত মানুষের মাঝে একে অন্যকে খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন। এবং সবাই হয়তো সবার নাম জানে না তাহলে তো কাউকে খুজে পাওয়া আরো কঠিন। এরকমভাবে বাস্তবে আমরা অনেক ওয়েব সাইটের নাম (URL) জানি না তাই আমাদের পক্ষেও অনেক কঠিন একট ওয়েবসাইটকে খুঁজে বের করা। আর এর একমাত্র সমাধান হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন।

আপনি কোন ওয়েব সাইটের নাম না জানলে সেটিকে সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে খুজে বের করা যায়। যেমন ধর
ন আপনি USA embassy ঢাকা এর এ্যাড্রেস জানেন না, তাহলে আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিনে যদি লেখেন USA embassy in Dhaka তাহলে আপনি সার্চ রেজাল্ট USA embassy in Dhaka এর ওয়েব সাইটটির লিংক শো করেছে।অনেক সময় সার্চ রেজাল্ট আপনার ওয়েবসাইটগুলোর ৯ ও ১০ নং পেইজ এ শো করলে অনেকেই সেটা দেখবেন না।

কারণ শেষের দিকের পেইজগুলোতে সাধারণত কেউ যায় না । আর সেজন্যে আপনার ওয়েবসাইট টি ১,২, ও ৩ নং পেইজ এর মধ্যে রাখাটা ভাল । সাধারণত প্রথম পেইজ এ বেশি ট্রাফিক থাকে আর ট্রাফিক থেকে revenue আসে আর যেটি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মূল লক্ষ্য।
২) আপনার ওয়েব সাইটের ডিজাইনারকে বিশ্বাস না করা (Do not trust your website designer)
আপনার ওয়েব সাইট ডিজাইনারকে বিশ্বাস করবেন না, আপনার SEO প্রজেক্ট ম্যানেজ করার জন্য সাধারণত ই-কমার্স সাইটগুলোর ক্ষেত্রে এটি খুবই Risky। অনেক সময় দেখা যায় SEO করার জন্য আপনার সাইটের কিছু Backend পাওয়ার SEO ম্যানেজারকে দিতে হয় আর সেই SEO ম্যানেজার যদি খুবই বিশ্বস্ত না হয় তখন খুবই সমস্যা হয়। এই অভিযোগগুলো আমি প্রায় সময় বিভিন্ন
organization থেকে শুনে থাকি।

বিঃদ্রঃ– এখানে বিশ্বাস করা না করাটাকে ব্যক্তিগতভাবে বলছি না । বিশ্বাস করা না করাটা একান্ত‭ই আপনার ব্যাপার। আমি দুঃখিত বিষয়টি এখানে উল্লেখ করার জন্য।

৩)SEO এর জন্য goal ঠিক করা ( Setting SEO goals )


SEO করার পূর্বে আপনি একটি পরিকল্পনা করে নিবেন। অনেক সময় প্ল্যানিং বাস্তবায়িত হয় না, এর কারণ হচ্ছে সুনির্দিষ্ট গোল না থাকার কারণে। যেমন একটি ওয়েব সাইটের জন্য অনেক ধরনের কীওয়ার্ড হতে পারে এখান থেকে কোন কী ওয়ার্ডগুলো আপনি সিলেক্ট করবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার লক্ষ কি? আপনার গোলটি এমন হওয়া উচিত যেটি আপনার কোম্পানির need(নিড) পূরণ করবে।
কারণ প্রত্যেকটি বিজনেস-এর নীড ভিন্ন। অন লাইনের কোন ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে band করতে হলে আপনার SEO করতে হবে।

নিম্নের চিত্রে লক্ষ কর
ন আমি গুগুলে snake+vedio লিখে সার্চ
দিয়েছি।

চিত্রঃ snake+vedio দিয়ে গুগল সার্চ

উপরের চিত্র লক্ষ করলে দেখা যা‪চ্ছে অনেকগুলো ওয়েবসাইটেও বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আছে। কিন্তু ইউটিউব সবার উপরে । আর এ থাকার কারণ হ‪চ্ছে ইউটিউবকে ব্রান্ডিং করা হয়েছে। তবে অনলআইনে সবচেয়ে branding ধরে রাখা কিছুটা কঠিন কাজ। আপনাকে সিদ্ধান্ত‭ নিতে হবে আপনার ওয়েব সাইটকে locally কোন নির্দিষ্ট দেশে না internationally ব্রার্ন্ডি করবেন।

সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাংকিং যেহেতু প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হ‪চ্ছে। সে জন্য আপনার ওয়েবসাইটকে সবসময় আপডেট রাখতে হবে। যেমন অনেক সময় ওয়েবসাইটকে ব্যান্ড করে দিতে পারে অনেক কারণে। একটি উদাহরণ দি‪চ্ছি অনেক সময় ওয়েব মাস্টার প্রচুর এডিশোনাল লিংক সাইটে এ্যাড করে কিন্তু‧ এটা দেখা উচিত ঐ সাইটগুলোকে আপনার ওয়েব সার্চ রিলেটেড কিনা। SEO এর জন্য গোল গুলো সাধারণত চার ও ছয় মাসের জন্য করলে ভাল কারণ SEO হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি কাজ।

৪)পেইজ প্রপারটি ঃ

পুরো ওয়েবসাইটের কথা একসাথে চিন্তা না করে আপনি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা পেইজকে গুর
ত্ব দিতে পারেন। কারণ একটি ওয়েবসাইট অল্প সময়ে পুরো করা সম্ভব নয়। এটি ধীরে ধীরে আপডেট হতে থাকে। তাই পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট না করা পর্যন্ত‭ SEO করা যাবে না এরকম নয়। যেমন আপনার ওয়েব সাইটের অনেকগুলো পেইজ আছে, তার মধ্যে যেকোন একটি পেইজ সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে ঐ
পেইজের জন্য SEO শুর
 করতে পারেন যেটাকে Landing page SEO বলা হয়। ভিজিটর সাধারণত হোম পেইজে আসে। সেজন্য আপনি কোন পেইজে property কেমন হবে সেটা সেট করবেন। নিম্নের চিত্রে আমি গুগলে Hard disk সার্চ দিয়েছি।

চিত্রঃ Hard disk লিখে গুগলে সার্চ

এখানে লক্ষ্য করলে দেখবেন wikipedia সাইটটির সরাসরি হোম পেইজ আসে নি। এসেছে wikipedia সাইটের একটি পেইজ। যেমন Hard disk drive এখানে Hard disk drive এটি হচ্ছে wikipedia সাইটের একটি পেইজ।ব্লগ, ওয়েবসাইট ওয়েবসাইট এগুলো সম্পপর্কে বিস্তারিত বুঝতে আমাদের এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল ফলো করুন।

৪)সাইট Assesment ঃ

পুরো ওয়েবসাইটকে এক সাথে না দেখে বা চিন্তা না করে প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা পেইজকে acess করা উচিত। সবগুলো পেইজ এর গুর
ত্ব সবসময় এক হয় না। কোন পেইজ এর গুর
ত্ব কি তা বিজনেস need -এর উপর নির্ভর করবে।


সাইট Assesment করার সময় নিম্নের ইলিমেন্ট ( Element) গুলো Consider করা উচিৎ)

ক)সাইট/পেইজ tagging- ওয়েব সাইটে কি ধরনের meta tag add করবো সার্চ ইঞ্জিনের জন্য এটি খুবই গুর
ত্বপর্ণ। অর্থাৎ কোন বিষয়ের উপর Attention দেবেন। এছাড়াও description tag সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অত্যš‭ গুর
ত্বপূর্ণ। আর এসব ট্যাগ সম্পর্কে সহজে পরিপূর্ণ ধারণা পাওয়ার জন্য আপনি আমাদের এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন।

খ) পেইজ কনটেন্টঃ- কনটেন্ট হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটে আপনি যা শো করতে চাচ্ছেন অর্থাৎ ভিজিটররা আপনার ওয়েব সাইটে এসে যা কিছু দেখছেন সেগুলোই হচ্ছে কনটেন্ট। যেমনঃ text, audio, video, flash image ইত্যাদি। কনটেন্টগুলো সবসময় আপডেট থাকতে হবে।

গ) সাইট লিংকঃ-ওয়েবসাইটের লিংকগুলো SEO করার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ crawler এবং spider সবসময় সাইটের URL ভিজিট করে এবং ডাটা সংগ্রহ করে। ব্রোকেন লিংক সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাংকিং-এর জন্য একটি সমস্য। অনেক সময় দেখা যায়, একটি লিংক এ ক্লিক করেছি কিন্তু সেটা কাজ
করছেনা। এ রকম হওয়া যাবে না।

ঘ) সাইট ম্যাপিংঃবেশিরভাগ ওয়েব সাইটে অনেক বেশি লিংক থাকে। যেসব ওয়েব সাইটে অনেক বেশি পেইজ। ঐ সব ওয়েবসাইটে ইউজার এর পক্ষে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পাওয়া কঠিন।সেজন্য সাইট ম্যাপ তৈরি করে ওয়েবসাইটে দিয়ে দিলে ইউজারের প্রয়োজনীয় পেইজে যেতে সুবিধা হয় আর সেটা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য অনেক ভাল।

চিত্র ঃ একটি ওয়েব সাইট এর সাইট ম্যাপ
চিত্রঃ সাইট ম্যাপ।

বিঃ দ্রঃ এই পোস্টে যতগুলো screenshot নেওয়া হয়েছে পোস্ট লিখার সময় ওয়েবসাইটের যে পজিশন সব সময় একই নাও থাকতে পারে।

৫)গুগুল Analytics ঃ


গুগল এনালাইটিক্স হ‪চ্ছে একটি ফ্রি ওয়েব স্ট্যাটিসটিক্স ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন। যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক ট্রাক করতে পারবেন । গুগল এ্যানালাইটিক্স ইউজ করার জন্য গুগুলের একটি ইউজার নেইম (জি মেইল একাউন্ট) দরকার। আর এজন্য আপনাকে যেতে হবে
www.google.com/analytics এ। আপনার একটি জি-মেইল এড্রেস দ্বারা আপনি গুগল এনালাইটিক্স এ রেজিস্ট্রেশন করে নিবেন। তারপর গুগল এনালাইটিক্স এ লগইন করে আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিকের বিভিন্ন ধরনের স্ট্যাটিসটিক্স দেখতে পারবেন। এখানে গুগল আপনাকে একটি কোড প্রদান
করবে আর সেই কোডটি আপনি আপনার ওয়েবসাইটে এ্যাড করবেন।

চিত্রঃ গুগুল এ্যানালাইটিক্স হোম পেইজ

তাহলে বন্ধুরা আজকের পর্ব শেষ করছি এখানেই,কারন আমাদের এই পোস্ট টা অনেক লম্বা হয়ে গেসে।সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আমাদের সাইটের সাথেই থাকুন।

আল্লাহ হাফেজ

SEO বাংলা টিউটোরিয়াল,টেকনিকাল টার্ম-2 (SEO Jargon & Technical Word)(পর্ব-3)

হ্যালো ,

আসসালামু আলাইকুম

সবাই কেমন আছেন আসা করি ভাল আছেন,আজকে আমাদের এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল এর দ্বিতীয় পর্ব।আজকের পর্বে আমরা জানব SEO এর টেকনিকাল টার্ম- (SEO Jargon & Technical Word)।

চলুন শুরু করে দেই আজকের পর্ব প্রথমেই আমরা দেখে নেই কী কী থাকছে আজকের পর্বে-

আজকের পর্বে যা যা থাকছে-

১)কীওয়ার্ড (Keywords)

২)মেটা ট্যাগ (Meta Tag)

৩)টাইটেল ট্যাগ (Title Tag)

৪)এংকর ট্যাগ (Anchor Tag)

৫) In bound link or back link

৬) Outbound link

৭)পেইজ র‍্যাংক এবং কন্টেন্ট

এতক্ষনে মাওরা দেখে নিলাম আমদের সুচীপত্র-

এবার চলুন আর কোন ভুমিকা না করে চলে যাই মূল পোস্টে-

১)কীওয়ার্ড (Keywords)

কীওয়ার্ড হচ্ছে একটি ওয়েব পেইজের শব্দ যেটি ঐ পেইজকে ডেস্ক্রাইব করে।অর্থাৎ আপনি প্যারাগ্রাফ লিখেছেন অই প্যারাগ্রাফে নিশ্চয় কত গুলো শব্দ থাকতে পারে যেগুলো অই প্যারাগ্রাপের মূল শব্দ।SEO করার পুর্বে আপনার কিওয়ার্ড সিলেকশন খুবি গুরুত্বপুর্ন।

অর্থাৎ আপনি কোন ধরনের কিওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন আর সেই কিওার্ড রিলেটেড কন্টেন্ট আপনার সাইটে থাকা ভাল।তাতে ইউজার যকন সার্চ দবে তখন অই কিওার্ড যদি আপনার সাইটের কিওয়ার্ডের সাথে মিলে যায় তাহলে সার্চ ইঞ্জিন সেখানে আপনার সাইট সো করবে।

২)মেটা ট্যাগ (Meta Tag)

মেটা ট্যাগ দ্বারা একটি ওয়েবসাইটের ডিস্ক্রিপসন প্রোবাইড করা হয়। মেটা ট্যাগ এ সাধারনত মেইন কীওয়ার্ড এর লিস্টগুলো ব্যবহার করা হয়।

মেটা ট্যাগ এবং টাইটেল ট্যাগ

এই ট্যাগ এর টেক্সট টা আপনার ব্রাওজারের ওউন্ডোর টিপে দেখাবে।টাইটেল কোন একটি এইজের সারাংশ দেয়।বেশিরভাহ SE টাইটেল ট্যাগ কে অনেক গুরুত্ব দেয় এটা বোঝার জন্য কোন ধরনের ওয়েব সাইট।টাইটেল ট্যাগ দেখে বলা যায় এটা কোন ধরনের ওয়েবসাইট ।আমাদের ওয়েব সাইট Myrevenuers.com ভিজিট করলেও আপনারা একটা টাইটেল দেখতে পারবেন।

৪)এংকর ট্যাগ (Anchor Tag)

একটি ডকুমেন্ট এর সাথে আরেকটি ডকুমেন্ট কে লিংক বা সংযোগ করার ট্যাগ কে এংকর ট্যাগ বলে। অথবা একটি পেইজের সাথে আরেকটি পেইজের সংযোগ।

<a href=”index.php”> Home </a>

SEO এর জন্য এংকর ট্যাগ খুবি গুরুত্বপূর্ন ।আপনি অন্যের সাইট কে আপনার সাইটে লিংক করার জন্য এংকর ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে ।আবার অন্যরাও আপনার সাইটকে তাদের সাইটে লিংক করার জন্য এইট্যাগ ব্যবহার করবে,তাহলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটকে গুরুত্ব দেবে এবং আপনার সাইটকে র‍্যাংকে যেতে সাহায্য করবে।

৫) In bound link or back link

অন্য একটি সাইট থেকে কেউ যদি আপনার সাইটে আসে সেটাই হল In bound link or back link নিশ্চয় অন্য কোন সাইটে আপনার সাইটের লিংক দেওয়া আছে,এইটাকে ইনকামিং লিংক বলে।একটা ওয়েব সাইটকে পপুলার করার জন্য বেশী বেশী ব্যাক লিংক তৈরী করতে হবে।যেমন কোন পলিটিশিয়ান তার পরিচির জন্য ভিবিন্য যায়গায় লিবগক লাগিয়ে দেয়।যত বেশী পোস্টার তত বেশী পরিচিতি।

In bound link or back link

উপরের চিত্রে দেখা যাচ্ছে এই ওয়েব সাইটে অন্য সব হোটেল এর ওয়ে সাইটের লিং দেওা আছে এখন কেও যদি এই লিঙ্গকে ক্লিক করে অই সাইটে যায় তাহলে সেটাই In bound link or back link ।

৬)Outbound link

আপনি যখন আপনার ওয়েব সাইটের কোন লিংকে ক্লিক করে অন্য সাইটে যাবেন সেটাই হল Outbound link । Outbound link আপনার সাইটের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়।

৭)পেইজ র‍্যাংক এবং কন্টেন্ট  

পেইজ র‍্যাংক হচ্ছে এনালাইসিস এগারিদম।অন্যভাবে বলা যায় পেইজ র‍্যাংক হচ্ছে একটা নিউয়ারিক ভ্যালু।যেটি নির্ধারন করে একটা ওয়েব সাইট কতটা গুরুত্বপুর্ন।পেইজ র‍্যাংকিং এর উপর ভিত্তি করে মুলত একটিওেবসাইট সার্চ রেজাল্টে আগে পরে আসে।পেইজ র‍্যাংক যত বেশি সার্চ রেজাল্টে তত আগে আসার সম্ভবনা।পেইজ র‍্যাংক ১ থেকে শুরু হয়ে যত বাড়বে ততই তার পেইজ রেংক বেশী।

আপনি আপনার ওয়েব সাইট এর লিংক লিখে চ্যাক করতে পারবেন আপনার সাইট এর পেইজ র‍্যাংক কত,পেইজ র‍্যাংক ০-১০ পরযন্ত মেজার হয়।

ওয়েবসাইটের পেইজ র‍্যাংক চ্যাক

কন্টেন্ট(content)

আমরা ওয়েবসাইটে যা কিছু দেখতে পাই সেগুলোই হল কন্টেন্ট বা কোন ওয়েব সাইট যা কিছু আমাদের সামনে ডিসপ্লে করে সেগুলোই হল কন্টেন্ট।কনটেন্ট হতে পারে textual, visual এছাড়া টেক্সট,ইমেইজ,ভিডীও,অডিও অথবা এনিমেশন।

তাহলে বন্ধুরা এই ছিল আজকের টফিক,তাছড়া আজুকের পোস্ট অনেক লম্বা হয়ে যাচ্ছে তাই এখানেই শেষ করতেছি আজকের পোস্ট।]

সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন,অফেক্ষসা করুন পরবর্তি পোস্টের ,আল্লাহ হাফেজ।

SEO বাংলা টিউটোরিয়াল,টেকনিকাল টার্ম-১ (SEO Jargon & Technical Word)(পর্ব২)

হ্যালো ,

আসসালামু আলাইকুম

সবাই কেমন আছেন আসা করি ভাল আছেন,আজকে আমাদের এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল এর দ্বিতীয় পর্ব।আজকের পর্বে আমরা জানব SEO এর টেকনিকাল টার্ম- (SEO Jargon & Technical Word)।

চলুন শুরু করে দেই আজকের পর্ব প্রথমেই আমরা দেখে নেই কী কী থাকছে আজকের পর্বে-

আজকের পর্বে যা যা থাকছে-

১)সার্চ সাইট। (Search Site)

২)সার্চ টার্ম। (Search term)

৩)সার্চ রেজাল্ট। (Search result)

৪)সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। (Search engine optimization)

৫)ক্রোয়েলার্স। (Crwles)

৬)রাংকিং। (Ranking)

৭)ইনডেক্স  (Index)

৮)অরগানিক রেজাল্ট (Organic)

৯)গুগল সার্চ। (google search)

১০)প্রসেসিং কোয়ারিস (Processing Quaries)

তো এতক্ষনে আমরা জানলাম আজকের পর্বের সূচি এখন চলুন চলে যাই মূল আলোচনায়-

১)সার্চ সাইট। (Search Site)

সার্চ সাইট হচ্ছে একধরনের ওয়েব সাইট যার মাধ্যমে আপনি অন্য একটা ওয়েব সাইট খুজে থাকেন।

২)সার্চ টার্ম। (Search term)

সার্চ টার্ম একটি শব্দ বা শব্দ সমস্টি।যেটি আমরা কোন তথ্য খোজার জন্য সার্চ ইঞ্জিনে লিখে থাকি।

৩)সার্চ রেজাল্ট। (Search result)

সার্চ রেজাল্ট হচ্ছে কিছু তথ্য যেগোল আপনার সার্চ টার্মের উপর ভিত্তি করে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সামনে আনে।নিছের চিত্রে দেখুন এখানে “বাংলাদেশ” দিয়ে সার্চ দেওার পরে অনেক গুলো লিংক সো করছে।আর এগুলোই হল সার্চ রেজাল্ট-

চিত্রঃ বাংলাদেশ এর সার্চ রেজাল্ট

৪)সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। (Search engine optimization)

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search engine optimization) কে এ সংক্ষেপে SEO বলে।এটি একটি ওয়েব সাইটকে র‍্যাংকিং এ নেইয়ার জন্য অপটিমাইজ করে।

৫)ক্রোয়েলার্স। (Crwles)

ক্রোয়েলার্স (Crwles) একটি প্রোগ্রাম যেটি কোন সার্চ ইঞ্জিন বিভিন্য ওয়েব সাইটকে Scan ও Analyze করার জন্য ব্যবহার করে। spider এবং robots অনেকটা Crwles এর মত কাজ করে।

৬)রাংকিং। (Ranking)

আপনি গুগলে বা কোন সার্চ ইঞ্জিনে কোন কিছু সার্চ করলে সেটা আপনার সামনে কয়েক হাজার/লাখ রেজাল্ট পায় (Less or more depends on relevant content website) । এর মধ্যে গুগল শুধু ৫০০ টিকে র‍্যাংক এ নিয়ে আসে।নিম্নের চিত্রে দেখুন আমি “সিলেট” লিখে সার্চ দিয়েছি সেখানে অনেক গুলা রেজাল্ট দেখাচ্ছে।তার মধ্যে নিচে কিচু নাম্বার লক্ষ করুন সেখানে ২ নং ৩ নং পেইজে ক্লিক করলে আমরা আরো অনেক রেজাল্ট দেখতে পাব-

চিত্রঃ সার্চ রেজাল্টে অনেক গুলো পেইজ

৭)ইনডেক্স  (Index)

যকন কোন পেইজকে Crawel করা হয় তার পর অই পেইজের content গুলোকে index করা হয় যেগুলোকে ডকুমেন্ট হিসেবে একটি ডেটাবেস হিসেবে স্টোর করা হয়।

৮)অরগানিক রেজাল্ট (Organic)

সার্চ ইঞ্জিনে আমরা সার্চ করলে যে রেজাল্ট গুলা পাই সেগুলো দুই ধরনের হয়।একটি হল Organic আর রকটা হল পেইড । Organic রেজাল্ট গুলো একটি ওয়েব সাইটের Content এবং কিওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।

৯)গুগল সার্চ। (google search)

গুগলের ওয়েবসাইটে কোন কিছু লিখে সার্চ করার প্রক্রিয়াকে গুগল সার্চ বলে।

১০)প্রসেসিং কোয়ারিস (Processing Quaries)

যখন কোন একটা তথ্য সার্চ ইঞ্জিনে আসে তখন ইঞ্জিন সেটা রিট্রাইভ করার যতগুলো ডকুমেন্ট আছে সেগুলো কোয়েরি এর সাথে ম্যাচ করে।

চিত্রঃ Top Down design
চিত্রঃShallow wide design

তাহলে বন্ধুরা এই ছিল আজকের পর্বের বিষয় পরবর্তি পর্বে আমরা আরো অনেক আলো চনা করব আজকের পর্ব অনেক লম্বা হয়ে গেছে তাই আজকের পর্ব এখানেই শেষ করছি,সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।পরবর্তি পর্বের আমন্ত্রন রইল ।

আল্লাহ হাফেয।